নোটিশঃ
দৈনিক প্রতিবেদন অনলাইন নিউজ পোর্টালের পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম।
সংবাদ শিরোনামঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ফেন’সিডিলসহ দুই নারী আটক যেভাবে সন্ধান মিলেছে আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনানের জোরপূর্বক গরুর মাংস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কবি মুখলেছ উদ্দিনের লিখা “মেঘনার পাড়ে সোনার মানুষ” মাগুরার শ্রীপুরে জনসচেতনতা বাড়াতে ইউএনওর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নাটোরে হাজেরা ক্লিনিকে পায়ে হেটে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে বের হলেন লাশ হয়ে সন্ধান মিলেছে আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনানের? আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনানকে উদ্ধারে কাজ করছে ডিবি পুলিশ আবু ত্ব-হার আদনানকে নিয়ে ক্রিকেটার শুভর আবেগঘন স্ট্যাটাস গাইবান্ধায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বিষয়ে গাইবান্ধায় সচেতনতামুলক ভ্রাম্যমাণ প্রচারণা ফরিদগঞ্জে যুবদল নেতা মতিনের বাবার মৃত্যুতে আলহাজ্ব এম এ হান্নানের শোক প্রকাশ আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধান চেয়ে স্ত্রী ও পরিবারবর্গের সংবাদ সম্মেলন ইস’রাইলের বিরুদ্ধে কথা বলায় আবু ত্ব-হা আদনান নিখোঁজঃ ভিপি নুর কুয়াকাটার বিখ্যাত ইলিশ রেস্টুরেন্টে খাবারের দাম তালিকা
বসুন্ধরা গ্রুপ এর এমডি আনভীরকে নিয়ে মতিউরের লেখা

বসুন্ধরা গ্রুপ এর এমডি আনভীরকে নিয়ে মতিউরের লেখা

বসুন্ধরা গ্রুপ এর এমডি আনভীর

বসুন্ধরা গ্রুপ এর এমডি আনভীরকে নিয়ে মতিউরের লেখা – তোমরা মিয়া হুদায় আবেগে লাফালাফি করছো। সায়েম সাহেবের কোন দোষ নেই। বুঝিয়ে বল তো, দেখো ফাইভ স্টার হোটেলগুলোর লবিতে দেখবা ওরকম অল্প বয়সী সুন্দরী সুন্দরী শত শত মেয়ে ঘুরাঘুরি করছে। ওদের ইনকাম জানো? চিত্র নায়িকাদের চেয়েও ঢের বেশি। পরিশ্রমও কম, বিলাসিতার সুযোগও বেশি। সায়েম সাহেব ইন্টার পড়ুয়া একটা মেয়েকে লাখ টাকার ফ্লাটে রেখেছেন। অন্যান্য খরচ মিলিয়ে দেখো মাসে আরো কয়েক লাখ টাকা তার পেছনে খরচ করেন।

এখন কথা হল, ধন কুবেররা এমনটা করেই থাকেন। এই ফাইভ স্টার হোটেলে যারা শত শত মানুষকে সার্ভিস দেন, কাজের বেশি প্রেসার নেন, শরীরের উপর দিয়ে কত ধকল যায়! সেই তুলনায় সায়েম সাহেব কিন্তু এই মেয়েটাকে আরাম আয়েশে রেখেছেন। তো এখন যখন কোন সমস্যার কারণে উনি এই মেয়েটার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, তখনই তার ইগো হার্ট হয়েছে, বিলাসিতার জীবনের ঝলকানিতে হঠাৎ ছেদ পড়েছে। সব মিলিয়ে হতাশায় ভুগে আত্মহত্যা করেছেন। এখন ফাইভ স্টার হোটেলের অন্য মেয়েগুলোর ক্লাইন্ট যদি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন, আর তারা যদি আবেগে পড়ে আত্মহত্যা করে বসেন, তার দায় কি ক্লাইন্টদের?

– না, কোনভাবেই তাদের দোষ নেই। তাহলে এবার বল, সায়েম সাহেবের দোষ কোথায় এখানে? ওয়েল। ফাইভ স্টার হোটেলের ক্লাইন্টগুলো কি কোন টিন এজারকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোগ করেন? আবেগী কোন সম্পর্কে জড়ান?  না।

বিভিন্ন মাধ্যম থেকে যা জানা গেছে, সায়েম সাহেব এখানে সেটা করেছেন। তিনি তাকে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তার মত অবস্থানে থেকে কাওকে প্রুতিশ্রুতি দিলে তা যে কেউ সরল মনে বিশ্বাস করবে। স্বাভাবিক। অবশ্য তারা বিশ্বাস করানোর জন্য নানাভাবে প্রোভোক করেন এটা সহজেই অনুমান করা যায়। তা ঠিক আছে। বিয়ের পর যদি তালাক দেয়া যায়, তাহলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে কেন ভাঙ্গা যাবে না?

– প্রশ্ন যৌক্তিক। যেকোনো সম্পর্ক ভাঙতে হলে এক তরফাভাবে হঠাৎ করে ভাঙা যায় না। সেখানে তৃতীয় পক্ষের উপস্থিতি থাকা উচিৎ। তাহলে যে কেউ ধাক্কাগুলো সামলানোর জন্য প্রাথমিকভাবে কাওকে পান। অন্যাথায় অঘটন ঘটে যায়। এবার আসি, ফাইভ স্টার প্রসঙ্গে। ফাইভ স্টারের মেয়েগুলো শত শত ক্লাইন্টকে সার্ভিস দেন। এই মেয়েটা কি তেমন কিছু করেছেন? এমন তথ্য আছে? – না, নেই।

– তার মানে ঐসব হাইলি প্রস্টিটিউটদের সাথে এই মেয়েকে তুলনা করা যাবে না। সে হয়ত প্রকৃত পক্ষেই সায়েম সাহেবকে ভালবেসে ফেলেছিলেন। এখন আমাদেরক দেখতে হবে, প্রস্তাবটা প্রথমে কার দিক থেকে এসেছিল। যদি মেয়েটার দিক থেকে এসে থাকে, তাহলে সায়েম সাহেবের কোন দোষ দেয়া যাবে না। তবে সার্বিক পরিস্থিতি দেখে তো মনে হচ্ছে প্রস্তাবটা সায়েম সাহেবের দিক থেকেই এসেছিল। আর অল্প বয়সী একটা মেয়ে তাতে ফেঁসে গেছেন।

– তা না হয় হল। তবে সায়েম সাহেব বিবাহিত এটা জেনেও যে মেয়ে প্রস্টিটিউশনের চিন্তার বাইরে গিয়ে এভাবে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখতে চায়, সে কীভাবে ভাল মেয়ে হয়? একটা নারী হয়ে সায়েম সাহেবের স্ত্রীর সংসার ভাঙতে চাচ্ছিলেন। তিনি তো শুরু থেকেই জানতেন সায়েম সাহেব বিবাহিত। এটা তো গোপন কিছু না। এখন সায়েম সাহেব পারিবারিক টানাপোড়েনে তার সিদ্ধান্ত পাল্টাতেই পারেন। এর ফলে মেয়েটা যদি আত্মহত্যা করে থাকেন, তাহলে তার দায় একান্তই মেয়েটার। সায়েম সাহেবের দোষ কীভাবে দিবা?

– অত্যন্ত যৌক্তিক প্রসঙ্গ। একটা পুরুষের দ্বিতীয় ওয়াইফ হতে চাওয়া আইনত অন্যায় নয়। আর ধর্মে তো এটার অবাধ স্বাধীনতা আছে। আবার জেনা-ব্যাভিচারের প্রসঙ্গ আনলে ধর্মে তো বিবাহিত ব্যক্তি কর্তৃক এটা করার শাস্তি হল মৃত্যুদণ্ড, আর অবিবাহিত কেউ করলে তার শাস্তি দোররা… তো সায়েম সাহেব তো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবার মত অপরাধ করেছেন। মেয়েটার থেকে তিনি বড় অপরাধী। যাহোক ধর্মের প্রসঙ্গে না যাই।

তার দোষ এভাবে- মেয়েটা মারা যাবার আগে তার বোনকে ফোন করে বলেছিলেন তিনি বিপদে আছেন। এই বিপদটা সায়েম সাহেবের দিক থেকে। জানা গেছে ঐ বাড়িতে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মেয়েটা ফেসবুকে কিছু ছবি আপলোড করেছেন। এটা সায়েম সাহেবের পরিবার দেখেছেন। তারপর সায়েম সাহেব বিষয়টা নিয়ে মেয়েটাকে প্রোভক করেছেন। একা থাকত সে।
একজন মানুষ যখন একা থাকেন, তখন তার সাথে দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে একটু টেকনিক্যাল বিহ্যাভ করতে হয়। তার প্রোভোকশনেই মূলত মেয়েটার মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি থেকে উনি সরে আসলে আমার কোন আপত্তি থাকত না। বিয়ের পরে তালাক দেয়া গেলে বিয়ের আগেই বিয়ে কেন ভাঙ্গা যাবে না! অবশ্যই যাবে। কিন্তু ঐ যে একটা গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে সেটা করতে হবে।

মূলকথা, মেয়েটা তার বোনকে ফোনে জানিয়েছিল, সে সায়েম সাহেবের দিক থেকে ভয়ানক বিপদে আছে। বোন যেন তখনই ঢাকায় আসেন। তার মানে মেয়েটা বাঁচতে চেয়েছিল। একটা মেয়ে বাঁচাতে চেয়ে বোনকে দ্রুত তার কাছে আসতে বলেছেন। পয়েন্ট টু বি নোটেড। এরপর বাকিটা ডাল মে কুচ কালা হ্যায়…. ওদিকে মিডিয়াগুলোর নির্লিপ্ততার মাঝে একটা রহস্য থেকে যায়।

এখানেই আমাদের যত কিউরিওসিটি….মিউচুয়ালি জেনে-বুঝে যা করার করেন। তবে আর কেউ যেন পরিকল্পিতভাবে কারোর মন নিয়ে খেলতে না পারেন, বা খেলতে চাইলেও তার একটা খারাপ পরিণতি হতে পারে এই বার্তা আমরা দিতে চাই।

আরও পড়ুনঃ এই ঈদে ভক্তদের যেসব গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | দৈনিক প্রতিবেদন কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত

Design BY NewsTheme