নোটিশঃ
দৈনিক প্রতিবেদন অনলাইন নিউজ পোর্টালের পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে আপনাকে স্বাগতম। সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস ভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে- আগ্রহীরা ই-মেইল করুনঃ dailyprotibedon24@gmail.com
সংবাদ শিরোনামঃ
প্রবাসীদের জন্য হাসপাতাল হচ্ছে ঢাকায়ঃ প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী মানুষের পাশে অতন্দ্র প্রহরীর মতো রয়েছে সরকারঃ তথ্যমন্ত্রী আরব আমিরাতে লটারি জিতে কোটিপতি হয়ে গেলেন ২ বছরের শিশু! দেশে আসতে চাওয়া প্রবাসীদের পাসপোর্টের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে সতর্কতা দেশে বিএনপির ইন্ধনেই যত সাম্প্রদায়িক হামলা হচ্ছেঃ ওবায়দুল কাদের কাতার প্রবাসী ইমামকে নিঃস্ব করলেন একাধিক বিয়ে পাগলী স্ত্রী কাতার থেকে দেশে এসেই দুর্ঘটনায় প্রান হারালেন সোহেল অবশেষে বাবার বাড়ি ফিরে গেলেন তুলে নিয়ে বিয়ে করা সেই তরুণী মদনে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের উপজেলা ও পৌর আহবায়ক কমিটি গঠন যে ৪ ধরনের মানুষকে বিয়ে করবেন না নওগাঁয় পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুর মামলায় বিএনপির ৬ নেতা কারাগারে কাতারের আইনসভায় দুই নারীকে নিয়োগ দিলেন আমির শেখ তামিম অপরাধ প্রবণতা কমে গেলেও আরব আমিরাতে জেলে ৫ শতাধিক বাংলাদেশি ফ্লাইটে যাত্রী সংখ্যা বাড়ছে, এক দিনে আরব আমিরাত গেলেন ২৩৯১ জন আরব আমিরাতে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে এসেও যাওয়া হলো না আবু মুসার
তামিমা – নাসিরের বিবাহ অবৈধঃ পিবিআই

তামিমা – নাসিরের বিবাহ অবৈধঃ পিবিআই

সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু তামিমা সুলতানা তাম্মী এখনও ব্যবসায়ী রাকিব হাসানের স্ত্রী। সেই হিসেবে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী পরিচয় দেওয়া তামিমা যে বিয়ে করেছেন সেটি অবৈধ। এমনটাই প্রমাণ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা তাম্মী ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে দোষী উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (সিএমএম) পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিমা রাকিবকে তালাক দেননি। আইনগতভাবে রাকিব তালাকের কোনো নোটিশও পাননি। তামিমা উল্টো জালিয়াতি করে তালাকের নোটিশ তৈরি করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তালাক না দেওয়ার ফলে তামিমা তাম্মী এখনও রাকিবের স্ত্রী হিসেবে বহাল রয়েছেন। দেশের ধর্মীয় বিধিবিধান ও আইন অনুযায়ী এক স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করা অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মীর বিয়ে অবৈধ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন পিবিআই সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) আবু ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, নাসিরের মামলায় আজ সকালে তিনজনকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই। প্রতিবেদনে মোটাদাগে উল্লেখ করা হয়েছে- ডাকযোগে তালাকের যে পত্র পাঠানো হয়েছিল তার রিসিটটি সঠিক নয়। তালাক যথাযথভাবে হয়নি জেনেও বিয়ে করেছিলেন নাসির। এ কারণে তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তালাক হয়নি জানা সত্ত্বেও তালাকের তথ্য প্রচার করায় মানহানির ধারাও রয়েছে নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা তাম্মী ও তার মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে। এর আগে ডিভোর্স পেপার ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী মো. রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই দিনই আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর শুনানি শেষে বিকেলে আদালত মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্রপত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। ‘তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী শিশুকন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। আসামিদের এ ধরনের কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। এমতাবস্থায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৪/৪৯৭/৪৯৮/৫০০ ও ৩৪ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দানে আদালতের মর্জি হয়।’

সৌদিয়া এয়ার’লাইন্সের কেবিন ক্রু তামিমা সুলতানা তাম্মী এখনও ব্যবসায়ী রাকিব হাসানের স্ত্রী। সেই হিসেবে ক্রিকে’টার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী পরিচয় দেওয়া তামিমা যে বিয়ে করেছেন সেটি অ’বৈধ। এমনটাই প্রমাণ পেয়েছে তদ’ন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভে’স্টিগেশন (পিবিআই)।

 

সংশ্লিষ্ট মা’মলার ত’দন্তে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা তাম্মী ও তামিমার মা সুমি আক্তারকে দোষী উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (সিএমএম) পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এ প্রতি’বেদন দাখিল করেন।

 

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিমা রাকিবকে তালাক দেননি। আইন’গতভাবে রাকিব তালাকের কোনো নোটিশও পাননি। তামিমা উল্টো জালিয়াতি করে তা’লাকের নোটিশ তৈরি করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তা’লাক না দেওয়ার ফলে তামিমা তাম্মী এখনও রাকিবের স্ত্রী হিসেবে বহাল রয়েছেন। দেশের ধর্মীয় বি’ধিবিধান ও আ’ইন অনুযায়ী এক স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করা অবৈধ ও শা”স্তি’যোগ্য অপরাধ। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মীর বিয়ে অ’বৈধ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

পিবিআই সদর-দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) আবু ইউসুফ বলেন, নাসিরের মামলায় আজ সকালে তিনজনকে অ’ভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পিবিআই। প্রতিবেদনে মোটা’দাগে উল্লেখ করা হয়েছে- ডাকযোগে তালা’কের যে পত্র পাঠানো হয়েছিল তার রিসিটটি সঠি’ক নয়। তালাক যথাযথভাবে হয়নি জেনেও বিয়ে করেছিলেন নাসির। এ কারণে তার বিরু’দ্ধেও অভি’যোগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তা’লাক হয়নি জানা সত্ত্বে’ও তালাকের তথ্য প্রচার করায় মানহানির ধারাও রয়েছে নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা তাম্মী ও তার মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে।

 

এর আগে ডিভোর্স পেপা’র ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভি”যোগে ক্রিকে’টার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এজন্য বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

 

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী মো. রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মা’মলা করেন। ওই দিনই আদালত বাদীর জবান’বন্দি গ্রহণ করেন। এরপর শুনানি শেষে বিকেলে আদালত মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পিবি’আইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

মা’মলার অভি’যোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন।

 

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রাকি’বের সঙ্গে বৈবা’হিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অ’বৈধ। নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন বলে অভি’যোগ করা হয়।

 

‘তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈ’তিক ও অ’বৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী শিশুকন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। আ’সামিদের এ ধরনের কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূ’রণীয় ক্ষ’তি। এমতা’বস্থায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৪/৪৯৭/৪৯৮/৫০০ ও ৩৪ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দানে আদালতের মর্জি হয়।’

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০২১ | দৈনিক প্রতিবেদন কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত

Design BY NewsTheme