সংবাদ শিরোনামঃ
দেশে ফিরে বিয়ে করা হলো না প্রবাসী ফরহাদের এয়ারপোর্টে নিরাপত্তা তল্লাশির সময়ে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন নতুন সিদ্ধান্ত নিলো আরব আমিরাতের এমিরেটস এয়ারলাইন্স কাতারে ৮টি কারণে আবেদন গ্রহন করা হচ্ছেনা কোম্পানি পরিবর্তনের দেশে সড়কপথে যান চলাচল না করায় চাপ বেড়েছে আকাশপথে মদনে ৫০ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত ৬ই নভেম্বর মদনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত মদন পল্লীতে নারী লোভী সুমন গ্রেফতার Top 10 Health insurance companies in USA মিজানুর রহমান আজহারীর যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলের নেপথ্যে যারা অর্থাভাবে ১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশীর লাশ নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করল ভারতের বিএসএফ সেনা ধর্ম পরিবর্তন করে বিয়ে; স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে স্বামীর বাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা মদনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন উপলক্ষে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ কাতারে গতমাসের তুলনায় নভেম্বরে বেড়েছে তেলের দাম
অর্থাভাবে ১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশীর লাশ

অর্থাভাবে ১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশীর লাশ

অর্থাভাবে ১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশীর লাশ

মালয়েশিয়ায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে মারা যাওয়ার পর ১৭ দিন হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে হতভাগ্য বাংলাদেশির লাশ। দরিদ্র পরিবার হওয়ায় তাদের লাশ বাংলাদেশে নেওয়ার সামর্থ্য নেই। তাই মালয়েশিয়ার মাটিতে লাশ দাফন করতে রাজি হয়েছে হতভাগ্য বাংলাদেশি পরিবার।

 

জহিরুল ইসলাম জবু (৫৫) গত ১৬ অক্টোবর গাইবান্দা প্রবাসী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জন্ডিস ও লিভারের রোগে মারা যান। নিহত জহিরুল ইসলাম গাইবান্দা জেলার সদরুপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকার কবির পাড়া গ্রামের মৃত হোসেন আলী মুন্সীর ছেলে।

 

জাহিরুল বিয়ে করেননি। তার বাবা-মা অনেক আগেই মারা গেছেন। এর আগে জহিরুরু ইসলাম তার জীবদ্দশায় বাংলাদেশে তার ভাইয়ের মেয়ে রোমানার সাথে যোগাযোগ করে তার অসহায়ত্বের কথা জানান।

 

এ বিষয়ে রোমানা জানান, তার চাচা জহিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকায় তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের লাশ দেশে আনতে প্রায় এক লাখ টাকা লাগে, কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।

 

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে আসা নারসিন্দি প্রবাসী শাহাদাত হোসেন জানান, জহিরুরু ইসলামের লাশ দুই সপ্তাহ ধরে দেশের ইপু অঞ্চলের রাজা হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে। তার সঠিক ঠিকানা বা পরিচয় পাওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ তার কাছে পাওয়া পাসপোর্টের কপিতে বলা হয়েছে তার বাড়ি নরসিন্ডি সদরে, কিন্তু ওই ঠিকানায় ওই নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায়, জাহেলের বাড়ি গাইবান্দা জেলায়। তারপর অনেক খোঁজাখুঁজি করে জহিরের আসল ঠিকানা পেলাম। আমি তার ঠিকানা উদ্ধার করে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি। তবে তাদের সামর্থ্য না থাকায় তারা মালয়েশিয়ায় লাশ দাফন করতে রাজি হয়।

 

জহিরের ভাগ্নি রোমানা আক্তার জানান, কোনো সহৃদয় ব্যক্তি মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ বহন করলে বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ তুলে নেবেন।

 

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানান, নাম প্রকাশ না করার শর্তে লাশ পাঠানোর কোনো আনুষ্ঠানিক সুযোগ ছিল না। তবে জহিরের পরিবার ইউএনও বা উপসচিবের মাধ্যমে আবেদন করলে সরকারি খরচে মরদেহ দেশে ফেরত পাঠাতে পারে প্রবাসী কল্যাণ বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন




Design BY NewsTheme